Read my poem

Ritih Chakraborty

Read my poem

মদন মঞ্জরী

ঋতীশ চক্রবর্তী

সর্বভারতীয় সম্পাদক, সুরনন্দন ভারতী

মাইহারের রাত বেশ গভীর
সূর্য তখন দিনের আলোকে জড়িয়ে ধরতে পারেনি
রাতের বাতাস বয়ে নিয়ে যাছে সুরের বিদায়্মন্ত্র
পূর্ণ সপ্তক দাড়িয়ে কেবল সাদা চাদরের নীচে।

রাতের মাটি তার নরম চোখ ঝাপসা
হিন্দোল শেষ করতে পারেনি তার প্রহর
অনেক অশ্রুজল ভৈরবীর কোমল দেহে
পথ রুদ্ধ জীবন ঘড়ির কাঁটায় কাঁটায়. . .

একটা জীবন ভরিয়ে দিল সুরের ভুবন
সকল বেলায় ঠাট বিলাবল বাজছে দুরে
অনন্তকাল থাকলো তোমার অপূর্ব রাগ
অনুভূতির নীল্ দিগন্তে সুরে সুরে
পল্লবিত হাওয়ায় ভাসে স্নিগ্ধ ধ্বনির
নবীন জীবন তুলেছে ঢেউ
মদন - মঞ্জরীর।

--------------------------------

আলাহিয়া বিলাবল

ঋতীশ চক্রবর্তী

সর্বভারতীয় সম্পাদক, সুরনন্দন ভারতী

ঠাট বিলাবল শান্ত সবুজ
বাদী ধৈবত রাগে
ষড়জ ঋষভ কতোই রঙিন
উত্তর অঙ্গে রাগের কথা

দিনের ভোরে গাইতে হয়
সাত পর্দা নামার পথে
ছয় পর্দায় ভুবন জয়।

--------------------------------

আমার বোধ থেকে

ঋতীশ চক্রবর্তী

সর্বভারতীয় সম্পাদক, সুরনন্দন ভারতী

কেবল তুমি সরে যাচ্ছ,
আমার বোধ থেকে দূরে দূরান্তরে।
সময়ের ইতিহাস বড়ই করুন ,
কোন ঐতিহাসিকই করবে না
তার চুলচেরা হিসেব, এ অধায়ে।
প্রয়োজন নেই কোন ইতিহাস বেত্তার ;
আমার বন্ধ আমার জীবনের
প্রতি অনু-পরমানু গড়ে তুলবে
   সূক্ষ কারুকাজ
আমার চোখের তারে জেগে উঠবে
তোমার প্রতিবিম্বিত মুখ, যতই তুমি
নিশ্চুপ মুহুর্তে ভরাও সময়।
কেন যে আমি তোমার হয়ে উঠতে চাই
   একান্তে তোমার
কতদূরে তুমি যাবে ? কামেরার পুরুকাঁচ
তোমার দূরে থাকা হৃদয়কে
   আমার কাছে এনে দেবে
পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তেই তুমি থাক না কেন
আমার সুর তাল বাণী অথবা বোধের
সব ছবি আমি দেখতে পাব
এই সময়ে অথবা আগামী সময়ে।

--------------------------------

কবিতার শরীর

ঋতীশ চক্রবর্তী

সর্বভারতীয় সম্পাদক, সুরনন্দন ভারতী

কবিতার শরীর ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে
চুক্তি হল পাথর কাটা
পাথরের মাঝে কৃষ্টির যোগ
প্রীতির পথে তবু হাঁটা।

পাথর কবিতা মিলন গাঁথা
মেঘের সঙ্গে মেঘ
পাথরে পাথরে আগুন নিয়ে
প্রীতি ভাঙ্গার কত না বেগ !

তিনটি ইদুর কবিতা কাগজে
কুটি কুটি দেয় দাগ
পাথরে কবিতা প্রাণ ধেয়ে যায়
পেছনে বিড়াল রাগ।